|
 |
|
কৃষ্ণচূড়া নয়, চেরী ফুলে
ছাওয়া টোকিওর শহীদ
মিনার। |
|
ছবি
১
২
৩ |
|
|
|
ইকেবুকুরোতে প্রস্থাপিত শহীদ মিনার। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার
প্রতি জাপানের শ্রদ্ধার নিদর্শন। |
|
|
|
|
|
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জাপান
বাংলাদেশ সোসাইটির পরবর্তী কর্মসূচী |
একুশে ফেব্রুয়ারীকে
জাপানের একটি জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা
প্রদানের আবেদন।
 |
|
|
|
নামঃ |
শহীদ মিনার |
|
আকারঃ |
২.৬
মিটার (উচ্চতা),
২.৫
মিটার (প্রস্থ)। |
|
|
(নক্সাঃ ঢাকাস্থ
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মাপের সাথে মিলিয়ে
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রস্তুতকৃত। |
|
কাঠামোঃ |
ষ্টীল ফ্রেম। (পার্ক
প্রাঙ্গনে, জাপানে সংস্কৃতি চর্চার
প্রাণকেন্দ্র,
টোকিও মেট্রোপোলিটন আর্ট স্পেস
অবস্থিত, যা মূলত ষ্টীল
ফ্রেমে নির্মিত)। |
|
স্থানঃ |
ইকেবুকুরো নিশিগুচি (ওয়েস্ট
এক্সিট) পার্ক,
টোকিও। এই পার্কটি,
টোকিওর প্রাণকেন্দ্রে
অবস্থিত ও ট্যুরিস্ট স্পট
হিসেবে বিখ্যাত। |
|
বৈশিষ্ট্যঃ |
গণপ্রজাতন্ত্রী
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নির্মিত, বহির্বিশ্বে
এটাই প্রথম স্থায়ী শহীদ মিনার। |
|
নির্মাণকালঃ |
ভিত্তি প্রস্তর
স্থাপনঃ ১২ই জুলাই, ২০০৫, গণপ্রজাতন্ত্রী
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে, বাংলাদেশের তৎকালীন
প্রধানমন্ত্রী। |
| |
উদ্বোধনঃ ১৬ই জুলাই,
২০০৬, সপ্তম টোকিও বৈশাখী মেলা। |
| |
প্রধান অতিথিঃ
জাপানের তৎকালীন পরিবেশমন্ত্রী। |
| |
|
|
|